Pages

শ্রেষ্ঠ নারীর রূপের কথা


সমস্ত নারীদের মধ্যে পদ্মিনী শ্রেণীর নারীগণই সর্বোৎকৃষ্ট। এরা মুনষ্য জগতে আল্লাহ তায়ালার শ্রেষ্ট নেয়ামত তুল্য এবং বেহশতী নির্দশন। বিশ্ব জগত এ শ্রেণীর নারীদের দ্বারাই সার্থক এবং ধন্য। এদের রূপ ও গুণের তুলনা নাই। এ শ্রেণীর নারীদের শরীরের বর্ণ কাঁচা হলুদের তুল্য এবং স্বর্ণের ন্যায় উজ্জল। গাত্র চর্ম সুশীতল এবং অত্যন্ত মসৃণ  ও মোলায়েম। তাহার স্পর্শে স্পর্শিত ব্যক্তি বা বস্তু নিজেকে ধন্য ও সার্থক মনে করে । তার প্রাণ জুড়াইয়া যায়। এ প্রকার নারী বদনকে সৌন্দর্যের আধার হিসাবে চন্দ্র বনদন বলা হয়। তাহা না অতি বৃহৎ এবং না তত্রা ক্ষুদ্র। বরং মধ্যমাকৃতি বিশিষ্ট হয়ে থাকে। দেখলে মনে হয় যেন আকাশের শশী ভূতলে নামিয়াছে। ইহাদের নাসিকা টানা অগ্রভাগ উঁচু। ওষ্ঠধার রক্তিমাভা বিশিষ্ট এবং দন্ত দুপাটি শ্বেত ধবধবে চাঁদির দ্বারা কোন সুদক্ষ ও তার মণি ও ভূরুদ্বয় অনুপম সৌন্দর্যের আঁধার এবং তহার চাহনি অতিশয় সুঘভীর, মানুষের প্রাণ হরণ কারীনী। যার দিকে তাহা নিক্ষিপ্ত হয় তার প্রাণে সারাজীবন ধরিয়া এর প্রতিক্রিয়া চলিতে থাকে। এ নারীদের গন্ডদ্বয় সুপক্ক আপেলের মত রং বিশিষ্ট ও ললাট দেখিয়া মানুষ স্বর্গীয় বলিয়া ভ্রম করে। ইহাদের মস্তকের গঠন সুগোল অতি সুন্দর এবং কুন্ডল দাম ঘন ঘোর কৃষ্ণ বর্ণ এবং আগাটি লম্বিত। ইহাদের বাহু, কজ্বি, তালু এবং আঙ্গুলিগুলি সবই সুন্দর । আঙ্গলিল নখসমূহের সৌন্দর্যও মানুষের প্রাণ হরণ করতে চায়।ইহা সবই যেন কোন সুন্দরের পুজারী দক্ষ কারিগর সর্বাধিক মনোযোগের সাথে সহস্তে গড়িয়া দিয়েছে। এদের গড়ন অত্যন্ত নিখুঁত ও নির্ভূল। এদের পয়োধর বা উন্নত কুচ যুগল যেন ডালিম তুল্য। কণ্ঠদেশ সুগোল, নাতি খর্ব নাতি দীর্ঘ। নিত্ন উন্নত, বিস্তৃত ও মাংসল। এদের মুখের বাক্য মধুর মিষ্টি এবং মুখে সদা হাসি বিরাজ করে। এদের মুধের সামান্য হাসির টুকরা ঠিক যেন উজ্জ্বল বিজরী ছটার মত সারা জগতকে আলোকিত করে। এ তো গেল বাহিরের রূপ ও গুণের কথা। ইহাদের অভ্যন্তরে ভাগ তথা হৃদয়ের অবস্থা আরও বেশি সুন্দর ।

0 comments:

Post a Comment